জাতীয় সঙ্গীত
রবিবার | ১৮-১০-২০২৬ |
মুন্সীরহাট উচ্চ বিদ্যালয়

মুজার্বণী, ডাকঃখলিশাকুড়ি,ভূল্লী, ঠাকুরগাঁও

স্থাপিতঃ ১৯৬৯ খ্রিঃ
EIIN: 129112 | MPO Code: 8005151301
School Code: 8267

একাডেমিক

১. প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাস আরম্ভ হওয়ার ৩০ মিনিট পূর্বে প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে। 

২. প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত পোশাক পরে প্রতিষ্ঠানে আসতে হবে। এর ব্যতিক্রম কোন ভাবেই করা যাবে না। 

৩. শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের সমাবেশে অবশ্যই অংশগ্রহণ করতে হবে এবং সমাবেশের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। 

৪. শিক্ষার্থীদের সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। 

৫. প্রত্যেক পিরিয়ডে শ্রেণি শিক্ষক/বিষয় শিক্ষক, কক্ষ ত্যাগ করলে শিক্ষার্থীরা আসন ছেড়ে বাইরে যাবে না এবং গোলযোগ করবে না। 

৬. প্রত্যেকের সাথে সদ্ভাব বজায় রেখে চলবে। বড়দের সম্মান করবে এবং ছোটদের স্নেহ করবে। সকলকে ভালো কাজে উৎসাহিত করবে এবং খারাপ কাজে বাধা দিবে। কখনও বড়দের  সাথে বেয়াদবি এবং ছোটদের সাথে কটুক্তি করবে না। 

৭. শিক্ষার্থীবৃন্দ প্রতিদিনের পাঠ শিখে প্রতিষ্ঠানে আসবে। কোনক্রমেই বাড়ির কাজ প্রতিষ্ঠানে করতে পারবে না। সময়ের কাজ সময়ে করতে হবে এবং প্রত্যেক পিরিয়ডের পড়া ঠিকমত সম্পন্ন করার জন্যে খাতা, কলম ও বই নিয়ে প্রতিষ্ঠানে আসবে। 

৮. শিক্ষার্থীবৃন্দ প্রতিষ্ঠানের অঙ্গণ এবং নিজেদের শ্রেণি কক্ষ নিজেরাই পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখবে। 

৯. পরীক্ষার সময় কলম, পেন্সিল অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সঙ্গে আনবে। 

১০. শিক্ষার্থীবৃন্দ পরীক্ষার খাতা হাতে পাওয়ার ০২ দিনের মধ্যে অভিভাবকদের দেখিয়ে তাদের স্বাক্ষর নিয়ে বিষয় শিক্ষকের নিকট জমা দিবে।

১১. সকল শিক্ষার্থীকে নিয়মিত প্রতিষ্ঠানে আসতে হবে। অসুস্থতার কারণে ০৩ (তিন) দিনের বেশি অনুপস্থিত থাকলে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট এবং অভিভাবকের সুপারিশসহ দরখাস্ত করতে হবে। 

১২. প্রতিটি বিষয়ে/পত্রে নির্দিষ্ট সময়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ধারবাহিক মূল্যায়নে  অবশ্যই অংশগ্রহণ করতে হবে। 

১৩. কোন ক্রমেই মোবাইল ফোন নিয়ে প্রতিষ্ঠানে আসা যাবে না। যদি ধরা পড়ে তাহলে মোবাইল ফোন জব্দ করা হবে এবং ফেরত দেয়া হবে না। 

১৪.কোনো শিক্ষার্থী যদি প্রতিষ্ঠানের ভিতরে বা বাইরে মারামারি করে তাহলে প্রথমে সতর্কীকরণ করা হবে। তারপরও যদি পুনরায় মারামারি করে তাহলে তাকে টিসি দিয়ে বের করে দেয়া হবে। 

১৫. ছেলেদের চুল আর্মিকাট হতে হবে। এ ব্যাপারে কোনো ধরণের অজুহাত চলবে না। যদি চুল বড় থাকে তাহলে প্রতিষ্ঠানের নিয়োগকৃত নাপিত দিয়ে চুল ছোট করে দেয়া হবে।

১৬. যারা ক্লাসে অতিরিক্ত কথা বলে বা ক্লাসের পাঠদান কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, শ্রেণি শিক্ষক তাদের তালিকা তৈরি করে শৃঙ্খলা কমিটির আহবায়কের নিকট জমা দিবে। শৃঙ্খলা কমিটি তাদের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরণের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে এবং তারা তা মেনে নিতে বাধ্য থাকবে।

১৭. কোনো শিক্ষার্থী যদি ড্রেস পরিহিত অবস্থায় প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে ঘুরাফেরা করে এবং কোনো শিক্ষকের নজরে আসে তা হলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

১৮. মেয়েদের ক্ষেত্রে হাতে মেহেদি, নেলপালিশ, লিপিষ্টিক পরা যাবে না। প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত স্কার্ফ পরে আসতে হবে। ছেলেদের ক্ষেত্রে হাতে ঘড়ি ছাড়া অন্য কোনো কিছু ব্যবহার করা যাবে না। শিক্ষার্থীদের নখ বড় রাখা যাবে না।  

১৯. উল্লেখিত আদেশ, নির্দেশ ও উপদেশগুলো যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে।